জনতার অশ্রুসজল ভালোবাসায় চির শায়িত ছাত্রলীগ নেতা রিফাত

0
593

সমাবেশে বক্তারা বলেন, রিফাত তাঁর চারিত্রিক গুনাবলী দিয়ে সব রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সর্বস্তুরের মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছিলেন। যা বর্তমান সময়ে বিরল। রিফাতকে হারিয়ে শুধু ছাত্রলীগ নয়, পুরো আওয়ামী পরিবারের বিশাল শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে। এ শুণ্যতা পূরণ হবার নয়। বক্তারা আরো বলেন, কক্সবাজার-রামুবাসীর কাছে ছাত্রনেতার চেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন তাঁর অনন্য সব গুনাবলী দিয়ে। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে সবার কাছে হয়েছেন প্রিয়ভাজন। সমালোচনা বা কোন অপবাদ তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। বরং সদা হাস্যোজ¦ল রিফাতের সততা, বিনয়ী স্বভাব ছিলো সবার কাছে অতি চেনা। বন্যাদূর্গত, শীতার্ত ও অসহায় মানুষেরও সহায় ছিলেন রিফাত। সাম্প্রতিক বন্যায় ছুটে গিয়েছিলেন প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে। অন্যের স্বপ্ন পূরণের বাসনায় নিজেকে বিলিয়ে দেয়া এ ছাত্রনেতা নিজের স্বপ্ন পূরণের আগেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বক্তারা রিফাতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকাহত স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
নামাজে জানাযায় কক্সবাজার জেলা ও রামু উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিত ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্ত সহ সর্বস্তুরের হাজার হাজার জনতা শরীক হন। এরআগে সকালে শতাধিক মোটর সাইকেলসহ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ গাড়িবহরযোগে কক্সবাজার হিমঘর থেকে রিফাতের মরদেহ রামুতে নিয়ে আসেন। জানাযা শেষে রামুর মন্ডলপাড়া মাইমুন আলী সাহেবের মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে রিফাতকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য গত বৃহষ্পতিবার (১৭ আগষ্ট) ভোর পৌনে চারটায় রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের শ্রীকুলস্থ বাড়িতে হৃদ রোগে আক্রান্ত ইন্তেকাল করেন হোসাইন মাহমুদ রিফাত। রিফাত ওই এলাকার ছৈয়দ আহদের ছেলে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ২৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি বাবা-মা ও এক ভাই রেখে গেছেন। তাঁর আকষ্মিক মৃত্যুর খবরে সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।